বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ মার্চ ২০১৭

মহাপরিচালক

ড. মো. আমজাদ হোসেন (মহাপরিচালক, চলতি দায়িত্ব) এর জীবনবৃত্তান্তঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক ড. মো. আমজাদ হোসেন, পরিচালক (গবেষণা), চলতি দ্বায়িত্ব কে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (চলতি দ্বায়িত্ব) হিসাবে বিগত ২৭/০২/২০১৭ খ্রি. নিয়োগ প্রদান করা হয়। তিনি ২৮/০২/২০১৭ খ্রী. রোজ মঙ্গলবার পূর্বাহ্নে মহাপরিচালক হিসাবে যোগদান করেন। 

ড. মো. আমজাদ হোসেন, ৩০ অক্টোবর, ১৯৬৩ সালে পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার দোপমাজগ্রাম নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মৃত আবুল হোসেন এবং আছিয়া খাতুন এর জ্যেষ্ঠ সন্তান। বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) এর মহাপরিচালক নিযুক্ত হওয়ার পূর্বে তিনি অত্র প্রতিষ্ঠানের পরিচালক (গবেষণা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং তিনি ৩১ জানুয়ারী ২০১৬ খ্রি. হতে ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ খ্রি. পর্যন্ত বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক হিসাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। 

ড. মো. আমজাদ হোসেন, বিএসআরআই এ বায়োটেকনোলজি গবেষণার পথিকৃৎ। তিনি ২০০২ সাল থেকে প্রতিষ্ঠাতা বিভাগীয় প্রধান হিসাবে বায়োটেকনোলজি গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঈশ্বরদী, পাবনা এর গবেষণা কার্যক্রম পরিকল্পনা, প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান, গবেষণাগার ও মাঠে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, ডাটা বিশ্লেষণ, গবেষণা প্রতিবেদন প্রস্তুতকরণ এবং উপস্থাপনাসহ গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা করেন। 

তিনি ১৯৭৮ সালে পাবনা জেলার আতাইকুলা হাইস্কুল হতে এস.এস.সি এবং ১৯৮০ সালে রাজশাহী সরকারী কলেজ হতে এইচ, এস, সি, পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ হতে ১৯৮৪ সালে বি. এস. সি এজি (সন্মান) এবং ১৯৮৯ সালে এম. এস. সি. এজি পাশ করেন। তিনি ২০০২ সালে শিনসু বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান হতে পিএইচডি (কৃষি বিজ্ঞান) ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ০৬ জুলাই ১৯৮৭ সাল বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (বিএআরসি প্রকল্প) হিসাবে সর্বপ্রথম অত্র প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। তারপর ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসাবে রাজস্বভূক্ত পদে যোগদান করেন, ১৯৯৮ সালে উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ২০০৬ সালে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ২০১১ সালে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসাবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন। তিনি ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে পরিচালক (গবেষণা) চলতি দায়িত্ব হিসাবে যোগদান করেন।

তিনি প্রকল্প পরিচালক হিসাবে “বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বায়োটেকনোলজি গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প” (০২ সেপ্টেম্বর ২০১০ খ্রি. হতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৪ খ্রি.পর্যন্ত ); “পার্বত্য চট্টগ্রামে ইক্ষু চাষ সম্প্রসারণের জন্য পাইলট প্রকল্প” (২য় পর্যায়) (৩০ নভেম্বর ২০১৪ খ্রি. হতে ৩০ জুন ২০১৫ খ্রি. পর্যন্ত); প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-এর কমিশনড রিসার্চ পোগ্রাম (Hill Agriculture-Sugarcane: Strengthening Sugarcane Research and Development in the Chittagong Hill Tracts) (০১ এপ্রিল ২০১৫ খ্রি. হতে অদ্যবধি); এছাড়া প্রকল্প পরিচালক হিসাবে “পার্বত্য চট্টগ্রামে ইক্ষু চাষ সম্প্রসারণের জন্য পাইলট প্রকল্প” (৩য় পর্যায়) (০১ জুলাই ২০১৫ খ্রি. হতে অদ্যবধি) সফলভাবে পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা করেন। 

তিনি জাপানের শিনসু বিশ্ববিদ্যালয় এ সফলভাবে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করার জন্য ডিপার্টমেন্ট অব প্লান্ট জেনেটিক্স এন্ড ব্রিডিং এর বায়োটেকনোলজি গবেষণাগার হতে “সিলবার মেডেল অব থ্রি রেড পিপার (Silver Medal of Three Red Pepper)” গ্রহণ করেন। বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে গবেষণা উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের নিমিত্তে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন। আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান জার্নাল Euphytica ও Japnese Journal of Tropical Agriculture সহ বৈদেশিক জার্নালে ১৯টি , অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও জাতীয় জার্নালে ৩৮টি, একটি বই, একটি edited বই এর চ্যাপ্টার ও অন্যান্য সহ দেশে-বিদেশে প্রকাশনার সংখ্যা ১৩৪টি। তিনি Bangladesh Journal of Sugarcane এর এসোসিয়েট এডিটর এবং Plant Tissue Culture and Biotechnology Journal এর এডিটোরিয়াল বোর্ডের সদস্য। 

তিনি Bangabandhu Krishibid Parishad (BKP); Bangabandhu Biggani Parishad (BBP); Krishibid Institution Bangladesh (KIB); Bangladesh Association for Plant Tissue Culture & Biotechnology (BAPTC & B); Plant Breeding and Genetics Society of Bangladesh (PBGSB); Bangladesh Association of Biotechnology (BABT); Bangaladesh Mushroom Foundation (BMF); Bangladesh Society of plant Physiology (BSPP) এবং Bangladesh Sugar Industry Development Foundation (BSIDF) সংস্থার আজীবন সদস্য হিসাবে আছেন । এছাড়া তিনি Bangladesh Association for the Advancement of Science (BAAS); ও Bangladesh Society of Sugarcane Technologist (BSSCT) এর সদস্য । 

তিনি বিবাহিত এবং এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।


Share with :
Facebook Facebook