বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬

কর্মসূচী বাস্তবায়ন

কর্মসূচী বাস্তবায়ন

বিএসআরআই এর দুইটি কর্মসূচীঃ

. ইক্ষুর রোগমুক্ত পরিচ্ছন্ন বীজ আখ উৎপাদন ও এর বিস্তার

বাস্তবায়নকারী দপ্তর/সংস্থা : বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) (বিএসআরআই এর রোগতত্ব বিভাগের নেতৃত্বে আরএসআরএস, ঠাকুরগাও, আরএসআরএস, গাজীপুর, চিনিকল এলাকায় সংশ্লিষ্ট চিনিকল এবং চিনিকল বহির্ভূত এলাকায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হবে)।

প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/ বিভাগ       : কৃষি মন্ত্রণালয়।

কর্মসূচীর বাস্তবায়ন কাল           : জুলাই ২০১৩ থেকে জুন ২০১৬ পর্যন্ত।

প্র্ক্কালিত ব্যয়                        : ১৭১.৩০ লক্ষ টাকা

কর্মসূচীর উদ্দেশ্য                   :

বাংলাদেশের চিনিকল ও চিনিকল বহির্ভূত এলাকায় কৃষক পর্যায়ে ইক্ষুর ভিত্তি ও প্রত্যয়িত বীজ আখ বিস্তারের লক্ষ্যে উদ্দেশ্যাবলী নিম্নরুপ:

ক)  আখচাষীগণের নিকট গুণগত মানসম্পন্ন রোগমুক্ত বিশুদ্ধ অর্থাৎ প্রত্যয়িত বীজ আখ সরবরাহ করা। 

খ)  বীজ বাহিত বিভিন্ন মারাত্মক রোগের আক্রমণে ইক্ষুর যে বিপুল পরিমান ফলন হ্রাস পায়, তার পরিমাণ কমিয়ে আনা।

গ)  ইক্ষুর বীজ বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব হ্রাস করা।

ঘ)  ইক্ষুর বীজ বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ইক্ষুর উৎপাদন ও এর চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।

ঙ)  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ও চিনিকলের কর্মকর্তা, সম্প্রসারণ কর্মী এবং উদ্যমী আখচাষীগণকে ইক্ষুর গুণগত মানসম্পন্ন রোগমুক্ত বিশুদ্ধ অর্থাৎ প্রত্যয়িত বীজ আখ উৎপাদানের আধুনিক কলাকৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান।

চ)  আখচাষীগণকে গুণগত মানসম্পন্ন বীজ আখ উৎপাদনের প্রযুক্তিজ্ঞান বৃদ্ধি, হালনাগাদকরণ ও প্রযুক্তি গ্রহণে       উদ্বুদ্ধকরনের লক্ষে ব্যাপকভিত্তিক মাঠদিবস অনুষ্ঠান।

চ)  ইক্ষুর উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে চিনি ও গুড়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

ছ) চিনি ও গুড়ের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বিদেশ হতে চিনি আমদানীর চাপ হ্রাস করা এবং ফলশ্রুতিতে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করা।

 

 

. দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকায় ইক্ষু চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ

বস্তবায়নকারী দপ্তর/সংস্থা          : বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) (বিএসআরআই এর রহমতপুর  উপকেন্দ্র, বরিশাল  এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হবে)।

প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/ বিভাগ       : কৃষি মন্ত্রণালয়।

কর্মসূচীর বাস্তবায়ন কাল           : জুলাই ২০১৫ থেকে জুন ২০১৭ পর্যন্ত।

প্রাক্কলিত ব্যয়                       : ১১৪.৩৪ লক্ষ টাকা।

কর্মসূচীর উদ্দেশ্য                   :

দক্ষিণাঞ্চলীয় বৃহত্তর বরিশাল জেলা সমূহে ইক্ষু চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রস্তাবিত এই কর্মসুচির        উদ্দেশ্যাবলীঃ

  1. লবনাক্ত উপকুলীয় এলাকায় ইক্ষু চাষ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে লাগসই প্রযুক্তির প্রদর্শণী স্থাপন ও বাস্তবায়ন ।
  2. স্থাস্থ্যসম্মত উন্নতমানের গুড় উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রযুক্তি প্রদর্শনী।
  3. কৃষক পর্যায়ে গুণগতমান সম্পন্ন বিশুদ্ধ বীজ সরবরাহের লক্ষ্যে বীজ উৎপাদন, সংগ্রহ ও বিতরণ।
  4. কৃষকের মাঝে ইক্ষু চাষ সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি গ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে ব্যাপক ভিত্তিক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান।
  5. গুড় উৎপাদন প্রযক্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সমবায় ভিত্তিতে চাষীদের মাঝে শক্তিচালিত ইক্ষু মাড়াইকল বিতরণ।
  6. কৃষক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি গ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে ব্যাপকভিত্তিক মাঠ দিবস অনুষ্ঠান।
  7. ইক্ষুর উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে গুড়ের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা।

 

 

 

 

 

 

 


Share with :
Facebook Facebook